নিজস্ব প্রতিবেদক : 


সিলেটের বিশ্বনাথে এক নারীকে সিএনজি অটোরিক্সায় তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও একজনকে আসামি করে বিশ্বনাথ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।


অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলার প্রধান অভিযুক্ত গয়াছ মিয়া ওরফে গেদাকে (৪৪) গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বিশ্বনাথ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোজ প্রভাকর রায়।


ভুক্তভোগী নারীর (ছদ্মনাম প্রিয়া আক্তার) অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৪ জুলাই (মঙ্গলবার) রাত ১০টার দিকে তিনি সিলেট শহরের চন্ডিপুল এলাকা থেকে ছাতক যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সিএনজি অটোরিক্সা রিজার্ভ করেন। অটোরিক্সার চালক ও ৩ নম্বর অভিযুক্ত সাইদুর রহমান গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা বলে কৌশলে তাকে বিশ্বনাথের অলংকারী ইউনিয়নের আলমনগর এলাকায় নিয়ে যায়।


অভিযোগে আরও বলা হয়, সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা গয়াছ মিয়া ওরফে গেদা (৪৪), পিতা-মৃত ছিদ্দেক আলী, আশিক মিয়া (৩০), পিতা-মৃত আয়না মিয়া, উভয় সাং-আলমনগর, সাইদুর রহমান (৩০), পিতা-হাসিব আলী, সাং-হায়াতেরগাঁও, আমির আলী (২৮), পিতা-ছাদ মিয়া, সাং-বটতলা, সর্ব থানা-বিশ্বনাথ, জেলা-সিলেটসহ অজ্ঞাতনামা ১জনসহ ব্যক্তিরা প্রিয়া আক্তারকে জোরপূর্বক মন্তাজ আলী নামের এক ব্যক্তির বসতঘরের রান্নাঘরে নিয়ে যায়। সেখানে অভিযুক্তরা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় আসামিরা ভুক্তভোগীর ভ্যানিটি ব্যাগে থাকা নগদ ২,২৫০ টাকা, পাসপোর্ট, এনআইডি কার্ড এবং একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়।


পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারী কৌশলে ঘর থেকে বেরিয়ে পনাউল্লাহ বাজারে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে বিষয়টি অবগত করেন। খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এবং ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গয়াছ মিয়া ওরফে গেদাকে আটক করে।


বিশ্বনাথ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোজ প্রভাকর রায় জানান, ভুক্তভোগীর দেওয়া অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত প্রধান অভিযুক্ত গয়াছ মিয়াকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।