স্বদেশ প্রেমিক মানবতার কল্যাণে নিবেদিত। জন্মভূমির প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসার নির্দশন যার চরিত্রে  আলহাজ্ব মুহাম্মদ মাকরাম আলী আফরোজ ডিএল ডেপুটি লুটেনেন্ট।  

তিনি বিশ্বনাথের এক  কৃতি সন্তান। প্রবাসেও রয়েছে যার অশেষ খ্যাতি। 


২০২৪ ইংরেজীর প্রথম দিকে  তিনি বাংলাদেশে আগমন করেন তখন বিশ্বনাথ উপজেলা প্রেসক্লাবে ওনার সম্মানে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেন সেখানে  তাঁর জ্ঞানগর্ব বক্তব্যে স্বদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি ভালবাসার যে, মহান চিত্র প্রকাশিত হয়, সেদিন ওনার বক্তব্যে বুঝা যায় তিনি একজন খাঁটি স্বদেশ প্রেমিক। ধন্যবাদ ও অভিনন্দন মাকরাম আলী আফরোজকে বিশ্বনাথবাসীর পক্ষ থেকে। স্বদেশ প্রেমের এমন নিদর্শন নিয়ে অনন্তকালের যাত্রী হবেন এটাই প্রত্যাশা আমাদের। সেদিন বিশ্বনাথ উপজেলা প্রেসক্লাবের ওই অনুষ্ঠানে তিনি  প্রেসক্লাবের আজীবন দাতা সদস্য হিসাবে  মনোনীত হন ক্লাবের সকল সদস্যেদের সর্বসম্মতিক্রমে। 


গত ১১ মে রবিবার সন্ধ্যায় টেংরা বার্তার সাথে এক  মোবাইল মাধ্যমে সুদূর যুক্তরাজ্য থেকে  মাকরাম আলী আফরোজ  বলেন, দেশবাসী সুখে তাকলে আমরাও সুখী। বাংলাদেশে জন্ম হয়েছে তাই জন্মভূমির এই ঋণ আমাদেরকে শোধ করতে হবে। যদিও আমরা প্রবাসে বসবাস করি কিন্তু মন থাকে আমাদের  স্বদেশের প্রতি। স্বদেশের কল্যাণে সাধ্যমত কাজ করে যাচ্ছি এবং আজীবনই স্বদেশের কল্যাণে  কাজ করেই যাব ইনশাআল্লাহ।


আমরা দেখতে চাই বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে একটা উন্নত রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আমরা বিশেষ করে দেখতে চাই বাংলাদেশ শিক্ষা দিক্ষায়, চিকিৎসায়,  রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে একটি সফল ও স্বার্থক রাষ্ট্রে  পরিণত হয়েছে। যদি এমনটা হতে পারে তাহলে  প্রবাস থেকেও  আমাদের হৃদয়ে প্রশান্তি লাভ করবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। 

 আফরোজ বলেন, বাংলাদেশের কল্যাণে প্রবাসীদের ভূমিকা প্রশংসনীয়। বাংলাদেশের সুখে দুঃখে প্রবাসীরা আছে এবং থাকবে চিরকাল ইনশা'আল্লাহ। 


মুহাম্মদ মাকরাম আলী আফরোজ সিলেটের বিশ্বনাথের সাবেক (অলংকারি ইউনিয়ন) বর্তমান বিশ্বনাথ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের শিমুলতলা গ্রামের তালুকদার বাড়ীতে ১৯৬৫ ইংরেজীতে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম আব্দুর রাজ্জাক, মাতা মৃত রমজান বিবি। তারা ৩ ভাই ও ২ বোন। সবাই যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বাসিন্দা। তাঁর  পিতা মাতার সাথে তিনি ও ভাই বোন ১৯৭০ ইংরেজীতে স্থায়ী ভাবে যুক্তরাজ্যে গমণ করেন। যুক্তরাজ্যে কিছু দিন থাকার পর স্বদেশে ফিরে আসেন। এসে ভর্তি হন স্থানীয় টুকেরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে ৫ম শ্রেণী পাশ করে ভর্তি হন বিশ্বনাথ রামসুন্দর মডেল অগ্রগামী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে। ওই স্কুল থেকে ১৯৮৩ ইংরেজীতে ৮ম শ্রেণী পাশ করে আবার যুক্তরাজ্যে গমণ করেন। সেখানে গিয়ে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষে কর্ম জীবন শুরু করেন। মাকরাম আলী আফরোজের নানার বাড়ী হচ্ছে বিশ্বনাথ পৌরসভার জানাইয়া মসলায়।


তিনি ১৯৯২ ইংরেজীর মার্চে বিশ্বনাথের খাজাঞ্চি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বন্ধুয়া গ্রামের মৃত ছোয়াব আলী ও করফুল নেছার মেয়ে শাহারা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।  খাজাঞ্চি ইউনিয়নের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুল ইসলাম তাঁর আপন শ্যালক। ওনার দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। 

ছেলে মোঃ ফারহান আলী ম্যাকানিক্যাল টেকনোশিয়ান,  ২য় ছেলে বুরহান মুহাম্মদ আলী  মাষ্টার্স ও  চাটার্স সিভিল ইঞ্জিনিয়ার,

বড় মেয়ে ফারহানা আলী রুমি তিনি বিবাহিত তার ১ ছেলে ও ১ মেয়ে।  ২য় মেয়ে -ইমরানা জাহান নূরি  সে ইন্টারিয়ার ড্রিজাইন এবং যুক্তরাজ্যের বৃষ্টল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েট।


মাকরাম আলী আফরোজ বাংলাদেশের গরীব ও অসহায় মানুষের জন্য পরম এক বন্ধু। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে দেশের অসহায় মানুষের চিকিৎসা, চুক্ষ শিবির, এতিমদের কল্যাণ,  টিউবওয়েল,  মসজিদ মাদ্রাসায় আর্থিক দান, অসহায় মেয়ের বিবাহের সহযোগীতা, অসহায়কে ঘর নির্মাণ, গরীব, ছাত্রদের সহযোগীতা, রাস্হা,  সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের কল্যাণে রয়েছে তাঁর অপরিসীম অবদান। 



তিনি বিশ্বনাথ এইড ইউ'কের জীবন সদস্য,  বিশ্বনাথ উপজেলা প্রেসক্লাবের আজীবন দাতা সদস্য, বিশ্বনাথ এডুকেশন ট্রাষ্ট ইউ'কের ট্রাষ্টি, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন প্রবাসী ট্রাষ্টের ট্রাষ্টি,  বিশ্বনাথ ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটালের ট্রাষ্টি,


হজরত শাহজালাল মস্ক সুইনটন ইউ'কের ফাউন্ডার,

ল্যান্ড ডুনার জামায়াতুল খায়ের আল ইসলামিয়া সিলেট এর ফাউন্ডার ট্রাষ্টি,    বাংলাদেশ ফিমেল একাডেমি দিরাই, সুনামগঞ্জ এর ফাউন্ডার ট্রাষ্টি, 

FORMAN  জেনারেল সেন্টার বাংলাদেশ এসোসিয়েশন সুইনটন এর এরিয়া Wiltshire  uk,

সাউথ রিজন গ্রেটার সিলেট, 


অলংকারি ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার এন্ড ডেভেলপমেন্ট ট্রাষ্ট ইউ'কের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল সেক্রেটারি,  বিশ্বনাথ এডুকেশন ট্রাষ্টের সাবেক কালচ্যারাল ও  সহকারি সেক্রেটারি।