যুক্তরাজ্যে বিশ্বনাথের' ইলামের গাঁও ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন' ইউ'কের (বি জি এম) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে ১ লা সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার। 


বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় গ্রামের প্রবীণ মুরব্বী আব্দুল মছব্বির ও সভাপতি আব্দুস সোবহান ফারুকের যৌথ সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সামছুল ইসলামের সঞ্চালনায়, আক্সব্রীজে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্হিত ছিলেন, সংগঠনের উপদেষ্টা শফিক মিয়া পীরসাব, উপদেষ্টা  শফিক মিয়া, আব্দুল খালিক, ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজ আলী, রাজু মিয়া, সুহেল মিয়া, মানিক মিয়া, আব্দুল কাইয়ুম, মোস্তাবআলী, আবু মুনছর,  হেলাল আহমদ, বেলাল আহমদ, রুহেল মিয়া প্রমুখ। 


ইলামের গাঁও ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০২৪ ইংরেজীতে। ২৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি। ট্রেজারার হচ্ছেন, মঈনুল ইসলাম। 

১ লা সেপ্টেম্বরের অনুষ্ঠিত বৈঠকের সকল সদস্য বৃন্দকে আপ্যায়নের স্পন্সর করেন এসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজ আলী আলী। 


জানাগেছে, ইলামের গাঁও ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউ'কে প্রতিষ্ঠার  দুই বৎসর সময়ে ইলামের গাঁও এলাকায় আর্ত্মসামাজিক উন্নয়নে যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছে যা প্রসংশিত হয়েছে সর্বমহলে। 


জানায়ায়, দুই বৎসরে ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন সংগঠনটি ৪০ লক্ষ টাকার উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছে। তাছাড়া এসোসিয়েশনের আরো বহুবিদ পরিকল্পনা রয়েছে যা এলাকাবাসীর জন্য আর্শিবাদ। 


এসোসিয়েশনের আগামীর অন্যতম প্লান হচ্ছে গ্রামের প্রবেশদ্বারে দুইটি আধুনিক গেইট নির্মাণ। 


১লা সেপ্টেম্বরের (বি জি এম) বৈঠকে সংগঠনের আয় ও ব্যয়ের হিসাবসহ সার্বিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে গ্রামের দুইজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দুইটি বিষয়ে  পুরুস্কার প্রদান করা হয়েছে। 


তারা হচ্ছেন, গ্রামের প্রবীণ মুরব্বী আব্দুল মছব্বির ( প্রবীণ সিটিজেনসিপ হিসাবে পুরুস্কার প্রাদান এবং 'মাস্টার্স অফ ল' আইন বিষয়ে পুরুস্কৃত করা হয়েছে আবু হাছান রাহেদকে। 


এখানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, এসোসিয়েশনের মানবকল্যাণে দৃশ্যমান কাজ হচ্ছে নকিখালী থেকে ইলামের গাঁও পর্যন্ত লাইটিং। 


জানাগেছে, এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন, আব্দুস সোবহান ফারুক এবং বর্তমানেও তিনি যোগ্যতার সহিত  সভাপতির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।